সৌদি ইরান যুদ্ধ এবং বর্তমান বিশ্ববাস্ততা ও আগামি দিনের মুসলিম বিশ্বের ভবিষ্যত। পর্ব ০১

 

সৌদি ইরান যুদ্ধ এবং বর্তমান বিশ্ববাস্ততা ও আগামি দিনের মুসলিম বিশ্বের ভবিষ্যত। পর্ব ০১

সৌদি ইরান যুদ্ধ এবং বর্তমান বিশ্ববাস্ততা ও আগামি দিনের মুসলিম বিশ্বের ভবিষ্যত। পর্ব ০১


সৌদি ইরান যুদ্ধ এবং বর্তমান বিশ্ববাস্ততা


সম্মানিত দর্শক, আজকে আমরা এমন একটা পরিস্থিতিতে এসে দাড়িয়েছি যে বৈশ্বিক বাস্তবতা আমাদের অনেকের ই দৃষ্টিচ্যুত হয়ে গেছে। 


আরব জাহান বনাম ইরান যুদ্ধের প্রকৃত কারন এবং বাস্তবতা কি তার বিস্তারিত তুলে ধরাই আজকের মূল লক্ষ্য! প্রশ্ন হতে পারে যুদ্ধ হচ্ছে সৌদি বনাম হুথি! আমি কেন বলছি সৌদি বনাম ইরান যুদ্ধ?


এর উত্তর খুবই সহজ, ইয়েমেনে হুথি বাহিনি ইরানের একটি শিয়া মিলিশিয়া বাহিনি, তাদের যাবতীয় অস্র মিসাইল ড্রোন এবং বেতন ভাতা ট্রেনিং সম্পূর্ন ইরান থেকে দেয়া হয়। হুথিরা সম্পূর্ন ইরান কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত পরিচালিত একটি মিলিশিয়া বাহিনী। তারা যা করছে এটি সম্পূর্ন ইরানে ইশারায় হচ্ছে।


এবার আসি মূল কথায়। ইরানি ইয়ামেনি শিয়া কারা? আজকের সৌদি ইরান যুদ্ধের মূল দোষী কে? 



ইরানি ইয়ামেনি শিয়া কারা?


শিয়া/কাদিয়ানিরা হচ্ছে ইহুদি জায়েনিজমের মতো একটা গ্রুপ। ইহুদিদের সাথে তাদের পার্থক্য হচ্ছে, তারা ইসলামের কিছু মৌলিক বিধান কে কাটছাট করে ইসলামের লেভেল লাগিয়ে নতুন একটি ধর্ম সৃষ্টি করেছে, তাদের আছে নিজস্ব আলাদাভাবে কুরআন ও হাদীস এবং তারা উম্মুল মুমিনিন আয়েশা (রা) সহ সকল সাহাবায়ে কেরামগন কে কাফের বলে থাকে একমাত্র আলী (রা) ছাড়া। শুধু তাই নয় একমাত্র শিয়া ব্যতিত পৃথিবীর সমগ্র মুসলমানদের কে তারা কাফের মনে করে। বিস্তারি আলেমদের কাছে জেনে নিতে পারেন, শিয়া (রাফেজী, কাদিয়ানি, মাজুসি) ধর্ম সম্পর্কে। সোজা কথায় শিয়ারা নিজেরাই কাফের এবং তারা ইয়াহুদিদের একটি গুপ্ত মর্ডান ভার্সন ছাড়া আর কিছুই নয়।


আজকের সৌদি ইরান যুদ্ধের মূল দোষী কে? ইরানের আসল প্রকৃত চরিত্র এবং আমল নামা……


ইরানি শিয়াদের একটি দুঃস্বপ্ন হলো তারা তাদের হারানো পারস্য সম্রাজ্যকে পূনরুদ্ধার করতে চায় অর্থাৎ বর্তমান আরব রাষ্ট্রগুলোকে এবং মক্কা মদিনা দখল করাই তাদের মূল উদ্দ্যেশ্য! কিন্তু মূল সমস্য হচ্ছে আরবদের ব্যাপারে তার এজন্যই অতিরিক্ত মারমূখী আচরন করে যেহেতু  ইসলামের মহান খলিফা খলিফা উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.), খালিদ বিন ওয়ালিদ, সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস উনাদের নেতৃত্বে পারস্য জয়লাভ করে ইসলাম প্রচারের মাধ্যমে পারস্য কে মুসলিম ভুখন্ডের অন্তর্ভুক্ত করেছেন, এখানেই তাদের মূল শত্রুতা।


হারানো পারস্য সম্রাজ্যকে পূনরুদ্ধার, ইসলাম এবং মুসলিম বিশ্বের সাথে চরম শত্রুতা ও বিদ্বেষের জন্যই আজকের ইরান দীর্ঘ মেয়াদে প্রস্তুতি অর্জন করেছে মুসলিম বিশ্বকে এক ভয়ংকর যুদ্ধের মুখোমুখি করার জন্য। তাদের প্রস্ততির অংশ হিসেবে প্রতিটি মুসলিম রাষ্ট্রে একটি করে শিয়া মিলিশিয়া বাহিনী তৈরী করেছে এবং সুযোগ মতো ঝোক বুঝে কোপ মেরেছে। গৃহযুদ্ধ লাগিয়ে দিয়ে ধ্বংস করেছে প্রতিটি মুসলিম রাষ্ট্রকে। এটি তাদের হাজার বছরের অর্জন। অতীতে সমস্ত খিলাফাহ রাষ্ট্র এবং ইসলামি সালতানাত মুসলিম ভুখন্ডকে ধ্বংস করে কিছু দখল বাকিটা বৃটিশদ/ইউরোপের হাতে তুলে দিয়েছিল এরাই।


যার জলজ্যান্ত উদাহরন হলো, ইসরায়েল এবং আমেরিকার সহায়তায় তারা আজকের ইরাকে ১৫ লক্ষ সুন্নি মুসলমানকে গনহত্যা করা এবং ৩ কোটি মুসলমান কে দেশ ছাড়া করা। এমনকি প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম কে ঈদের দিনে ফাসিতে ঝোলানো যাবতীয় বিচারিক কার্যক্রম পরিচালকারী বিচারক ও শিয়া মাজুসি! বিশ্বাস না হলে এখনি গুগল করে দেখে নিন।


এরপর একে একে তাদের প্ররোচনায় এবং বিভিন্ন প্রক্সি গুপের সহায়তায় লিবিয়া, সুদান , সোমালিয়া সহ আফ্রিকার অনেক অঞ্চলে একই কাজ করা হয়েছে, সর্বশেষ লেবাননের মানুষের জীবন কে জাহান্নাম বানিয়ে দিয়ে সিরিয়া কে ধ্বংস করে ই তাদের বিগ মাস্টারপ্লান পরিপূর্নরুপে বাস্তবায়ন করা হয়।


মাজুসি শিয়া খুনি আসাদ সরকারের সহায়তায় সিরিয়ায় ১০ লক্ষ সুন্নি মুসলমানের উপর গনহত্যা চালিয়ে এক কোটি সিয়িয়ান মানুষকে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে, ধ্বংস করা হয়েছে প্রতিটি মসজিদ মাদ্রাসা ইসলামিক স্থাপনা এবং অনেক সাহাবাগনের কবর। গনহত্যা চালানোর অংশ হিসেবে সিরিয়ার নিস্পাপ শিশুদের হত্যা করার জন্য তাদের ব্যবহার করা ক্যামিক্যাল বোমা একটি আলোচ্য বিষয়! উপরোক্ত গনহত্যায় চায়না এবং রাশিয়া ছিলো তাদের মূল সহায়তা কারী!!


ইরান কি ফিলিস্তিনের বন্ধু?


প্রিয় দর্শক, শিয়া মাজুসি ইরানিদের পারস্য সম্রাজ্য পুনরুদ্ধারের চলমান কার্যক্রমের একটি অংশ হচ্ছে প্রতারনা! যেহেতু শিয়া এবং ইসরায়েলের মূল উদ্যেশ্য ই হল বিশাল অঞ্চল দখল করা সেক্ষেত্রে তারা উভয়ে একত্রিত হয়ে একটি গোপন মাস্টারপ্লান হাতে নিয়েছে, সেটি হচ্ছে ‘’ফিলিস্তিন প্রজেক্ট’’


যদিও ইরান ইসরায়েলের নিজস্ব মতবিরোধ আছে ক্ষমতার দ্বন্ধ নিয়ে, কিন্তু ফিলিস্তিন প্রজেক্ট বাস্তবায়নে তারা উভয়ে সম্মত হয়েছে, কারন এক ডিলে দুই পাখি শিকার হয়ে যাবে!


৭ অক্টোবর ২০২৩ হামাসের প্রতিরোধ এর আগে নেতানিয়াহু ইসরায়েলে ছিলো একটি কোনঠাসা অবস্থায়! কারন ইতিপৃর্বেই দুর্নীতি ও মানবতা বিরোধী অপরাধের জন্য ইসরায়েলের আদালতে তার বিচার চলছিলো! ক্ষমতা হারিয়ে জেলে যাওয়া ই ছিলো তার পরিনতি!


কিন্তু ইরান ও ইসরায়েলের যৌথ মাস্টারপ্লানের অংশ হিসেবে তারা, নেতানিয়াহু ইরানের মাধ্যমে হামাস কে টোপ গেলালো যে, যদি হামাস ইসরায়েলে আক্রমন করে, তাহলে ইরান হামাসকে পূর্ন যুদ্ধ সহায়তা দেবে, প্রয়োজনে ইরান নিজেই যুদ্ধে জড়াবে! কিন্তু কঠিন শর্ত দেয়া হলো যে কোনভাবেই যেন এই প্লান আরবরা জানতে না পারে!!


হামাসের যোদ্ধাগন দীর্ঘদিনের নির্যাতিত বিধ্বস্ত অবস্থায় যেন একটি আশার আলো খুজে পেলো! তারা সহজেই টোপ গিলে ফেললো! তারপরের ঘটনা সবার চোখের সামনেই! 


কিন্তু একটা পর্যায়ে যখন মুসলিম বিশ্বে সমালোচনা শুরু হলো, তখন ইতিপূর্বেই থাকা মাষ্টারপ্লানের অংশ হিসেবে ইরান ইসরায়েলে কিছু ফেক আক্রমন করলো! যদিও দু একটা রিয়েল ছিলো লোক দেখানো! আপনার এখনো সার্চ করলে দেখবেন ইরানের ছোড়া মিসাইল ড্রোন ইসরায়েলের বাগানে, ফাকা যায়গায় , রাস্তায় গিয়ে পড়েছে! তাদের কোন ক্ষয়ক্ষতি নেই!! একবার নিজেকে প্রশ্ন করুন ত , একটি টার্গেট লক মিসাইল ২ হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে এসে সেটি নিদিষ্ট টার্গেটের আশে পাশে পড়ে যায়! মিরাকেল!!! কিন্তু একই ইরানি টার্গেট লক মিসাইল অন্য দেশে হামলা করলে ১০০% টার্গেট ধ্বংস হচ্ছে, এমনকি সেটি আমেরিকান ঘাটি হলেও তাই হচ্ছে! এই পয়েন্ট মনে রাখা জরুরী!!


প্রশ্ন হলো ফিলিস্তিন ইসরায়েল যুদ্ধে ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের ধ্বংস করেছে এটা ত বুঝলাম, কিন্তু ইরানের আসলে এই মাস্টারপ্লানের অংশ হিসেবে ফায়দা কি?


এখানে আসল খেলা, মধ্যপ্রাচ্যে মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর স্বাভাবিক ই কোন প্রক্সি গ্রুপ নেই, মুসলিম রাষ্ট্রগুলো মুলত একে অপরের রাষ্ট্রীয় সেনাবাহিনী কে সহায়তা করে থাকে। তাদের পালিত কোন সন্ত্রাসী প্রক্সি গ্রুপ নেই। ইরানের মিলিশিয়াদের প্রতিহত করার জন্য কিছু ভাড়াটে বাহিনী থাকলেও তা খুবই নগন্য এবং উল্ল্যেখযোগ্য হারে কার্যকর নয়!!! কিন্তু হামাসের বেলায় ছিলো ব্যতিক্রম, হামাস ফিলিস্তিনের জনগনের নির্বাচিত বৈধ শাসক এবং একই সাথে প্রতিরোধ যোদ্ধা। যেহেতু হামাস ফিলিস্তিনে শক্তিশালী অবস্থানে ছিলো এবং পশ্চিম তীরেও মাহমুদ আব্বাসের শাসন চলছে সেখানেও তথা ফিলিস্তিনের কোথাও শিয়াদের শক্তিশালী কোন প্রক্সি গ্রুপ নেই। ফিলিস্তিনে হামাস ই ছিলো শক্তিশালী এবং তারা অন্য কোন গ্রুপ কে ও মাথা দাড় করাতে দেয়নি। হামাস এবং ফিলিস্তিন সম্পূর্ন আরবের নিরাপত্তা ছায়ায় ছিলো, এবং ফিলিস্তিন কে পূর্নগঠনে যাবতীয় সহায়তা আরবরাই করেছিলো। আপনাদের মনে থাকার কথা, যেই হামাসের লিডারদের আরবরা নিরাপত্তা দিয়ে রেখেছিলো, তারাই কিন্তু (ইসমাইল হানিয়া) ইরানে গিয়ে নিহত হয়েছে!


কিন্তু হামাসের মাঝে ঘাপটি মেরে থাকা কিছু ইরানি চরদের খপ্পরে পরে ইরান এবং ইসরায়েল এর যৌথ প্রতারনার ফাদে পা দিয়ে হামাস সহ দেড় লক্ষ ফিলিস্তিনি শহীদ হলো, কার্পেট বোম্বিং করে পুরো গাজাকে খোলা মরুভূমিতে পরিনত করা হলো! ধ্বংস হলো হামাসের প্রায় সকল লিডারশীপ এবং তাদের টানেল ব্যবস্থা অবকাঠামো! ধ্বংস হলো ফিলিস্তিন!


যুদ্ধের অজুহাতে নেতানিয়াহু বেচে গেলো জেল থেকে ক্ষমতা টিকে গেলো, ইরান জিতে গেলে ফিলিস্তিনের মুসলিমদের ধ্বংস করে, কারন তারা জানে হামাস টিকে গেলে তার এখানে কখনো তাদের প্রক্সি তৈরী করতে পারবে না, মক্কা মদিনা দখলের পরে মসজিদুল আকসা দখলের স্বপ্ন তাদের পূরন হবেনা!


ইরান পেয়ে গেল হামাস ধ্বংসের স্বাদ, ফিলিস্তিনিমুসলিমদের ধ্বংস করার স্বাদ পেল, অচিরেই তারা লেবানন থেকে হিজবুল্লাহকে নিজুক্ত করার স্বপ্নে বিভোর হয়ে গেলো! কিন্তু নেটানিয়াহু খমিনিকে এখানে জাস্ট সুদে 🥵🥵 দিলো! আমেরিকার সহায়তায় হিজবুল্লাহকে ওপারের ঠিকানা ধরিয়ে দেয়া হলো!! এখানে ইরান ইসরায়েল এর সহায়তায় মুসলিম ধ্বংসের প্রজেক্ট হাতে নিয়ে ফিলিস্তিনিদের প্রতারিত করলো শেষে ইরান নিজেও প্রতারিত হলো!


প্রতারিত হয়ে খমিনি যখন ইসরায়েল কে চোখ রাঙানি দিলো, নেটানিয়াহু বললো খমিনি তোমাকে একদম সুটিয়ে লাল করে দেব 🥵🥵 তারপর পরিনতি তাই হলো!!!


এবার আসেন শুরু করি আমেরিকা ইসরায়েল বনাম ইরান যুদ্ধ এবং পরবর্তী বাস্তবতা!


মধ্যেপ্রচ্যের ক্ষমতার ভারসম্যের বহু পরিবর্তন হয়েছে। এর সাথে মিশে আছে হাজার হাজার বছরের ধর্মীয় বিরোধ, অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রন এবং বিশ্ব শাসনের এক মহামূল্যবান চাবিকাঠি!


মার্কিন সম্রাজ্য বরাবর ই বিশ্ব শাসনের মূল কেন্দ্র বিন্দুতে রয়েছে! 


প্রচলিত একটা কথা আছে ক্ষমতা যার দোষ ও তার! আর বাস্তবতা হলো ক্ষমতা অর্জন কিংবা নিয়ন্ত্রন কোনটাই রক্তাক্ত হাত ছাড়া অর্জন করা সম্ভব নয়!


তাই এ পর্যায়ে এসে আপনাদের কিছু প্রশ্ন করি, বলুন ত………।


আফ্রিকা এবং আরব অঞ্চলে বিশেষ করে লিবিয়া এবং

ইরাকে আমেরিকান আগ্রাসন কাদের হাতে ধরে ঘটেছে? ফিল্ডে আমেরিকা ইসরায়েলের পক্ষে কারা লড়েছে? কারা তখন আমেরিকার মিত্র ছিলো??


উত্তরঃ শিয়া ইরান সরাসরি কখনো আবার তাদের মিলিশিয়া বাহিনী! আপনার গুগল করে দেখে নিতে পারেন!


ইতিপূর্বে সংঘঠিত আরব ইসরায়েল যুদ্ধে ইরানের অবস্থান ছিলো কি? ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিলো কে??


উত্তরঃ ইরান আরবদের বিরুদ্ধে অবস্থান করেছে এবং আরবদের দেয়া তেল অবরোধ কে পাশা কাটিয়ে সর্বোচ্চ তেল রপ্তানি করে ইসরায়েল কে সহায়তা করেছে! এবং ইরান ই ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়া কথিত ২য় মুসলিম রাষ্ট্র!!!


বলুন পৃথিবীতে একমাত্র কোন মুসলিম রাষ্ট্র যাদের দেশে ইসরায়েলের পরেই সর্বোচ্চ ইহুদি বসবাস করে এবং তাদের সেনাবাহিনী বিশাল সংখ্যক ইহুদি আছে?


উত্তরঃ কথিত মুসলিম রাষ্ট্র মাজুসি শিয়া ইরান


কোন মুসলিম রাষ্ট্রে মসজিদে তালা দেয়া হয় মুসলিমদের নামাজ নিষিদ্ধ এবং সেখানে ইসরায়েলে পরে সর্বোচ্চ সংখ্যক ইহুদি গির্জা উপসনালয় আছে?


উত্তরঃ কথিত মুসলিম রাষ্ট্র মাজুসি শিয়া ইরানে মসজিদে তালা দেয়া হয়, মুসলিমদের (হানাফি, শাফেয়ী, মালেকি, হাম্বলী ও সালাফিদের) নামাজ নিষিদ্ধ এবং সেখানে ইসরায়েলে পরে সর্বোচ্চ সংখ্যক ইহুদি গির্জা উপসনালয় আছে।


এবার বলুন আমেরিকা ইসরায়েলের দালাল কে?


দর্শক এই প্রশ্নের উত্তর আমি দেব না, সেটা আপনারাই দেবেন…………চলুন সামনে আগাই!


কিভাবে ইসরায়েল এবং ইরান পরস্পর শত্রু হলো?


একটা সময় পর্যন্ত আমরিকার অতীত প্রেসিডেন্ট রা ছিলো, মধ্যেপ্রাচ্য, আরব নিয়ে তাদের পরিকল্পনা ছিলো সেখানে ক্ষমতার ভারসম্যাতা রক্ষা করার জন্য ইসরায়েল কে শক্তিশালী করা এবং ইরান কে নির্দ্বিদায় তাদের শক্তি বৃদ্ধি করতে দেয়া। তবে ইরান যাতে অতিরিক্ত শক্তি অর্জন করতে না পারে সেজন্য অবরোধ দিয়ে ব্যালেন্স তৈরী করা! কারন ইরান রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং দিক থেক চায়নার পরে সম্ভবত ২য় শক্তিশালী অবস্থানে আছে।


এখানে আমেরিকান উদ্দ্যেশ্য ছিলো ইসরায়েল এবং ইরানের মাধ্যেম মুসলিম বিশ্বের নিয়ন্ত্রন ধরে রাখা, প্রয়োজন হলে কথিত মুসলিম রাষ্ট্র ইরান কে দিয়ে উদীয়মান সমৃদ্ধশালী আরব মুসলিম রাষ্ট্রগুলোকে করায়ত্ব করা অথবা ধ্বংস করা।


এ পর্যায়ে মধ্যপ্রাচ্য উদীয়মান সমৃদ্ধশালী আরব মুসলিম রাষ্ট্রগুলোকে ইরানের মাধ্যমে ধ্বংস করার মধ্য দিয়ে আমেরিকা ইসরায়েল এর লক্ষ্য পূরন হয়ে গিয়েছে। কারন এখন টিকে থাকা মুসলিম রাষ্ট্রগুলো সম্পূর্ন করায়ত্ব করা হয়ে গেছে। তাদের নিরাপত্তা থেকে শুরু করে সবকিছুই এখন আমেরিকার নিয়ন্ত্রনে।


স্বাভাবিক ভাবেই প্রকৃতির নিয়ম অনুযায়ী কখনো ই একই রাজ্যে দুজন রাজা থাকতে পারেনা! তেমনি ইরান এখন আর অফশন হিসেবে টিকে থাকার সুযোগ নেই, কারন ইরান ইতিমধ্যেই রিভার্স ইঞ্জিয়ারিং প্রযুক্তির বদৌলতে দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে, ফলে ক্ষমতার দ্বন্ধে ইরান মূলত ইসরায়েল এর জন্য থ্রেট হয়ে দাড়িয়েছে এবং সামনের দিনে ২য় রাউন্ডে পূর্ব পরিকল্লপনা অনুযায়ী ভয়ংকর ইরান বনাম ইসরায়েল আমেরিকা যুদ্ধ হওয়াটাই অধিক যুক্তিসংগত। ইতিপূর্বেই ১ম রাউন্ডের যুদ্ধ সংগঠিত হয়েছে!


বিঃ দ্রঃ ইরান বনাম ইসরায়েল যুদ্ধ সম্পূর্ন একটি ক্ষমতার দ্বন্ধ মাত্র! যা ফয়সালা করবে আগামীর মধ্যপ্রাচ্য কার নিয়ন্ত্রনে থাকবে!!!


তাহলে প্রশ্ন হলো ইরান এখন কোন অবস্থানে?

ইরান যখন থেকেই বুঝতে পেরেছে, যে সে আমেরিকা ইসরায়েল এর খরচের খাতায় পরে গেছে, তখন থেকে সে রাশিয়া এবং চায়নাকে পিতা হিসেবে মেনে নিয়েছে। সিরিয়ার গনহত্যায় রাশিয়া অন্যতম অংশীদার ছিলো ইরানের। চায়না রাশিয়া ইরানের বিপুল পরিমানের সস্তা তেলের বিনিময়ে এবং মধ্যেপ্রাচ্যের নিয়ন্ত্রন ধরে রাখার খাহেশে ইরান কে যাবতীয় সহায়তা করে যাচ্ছে। কারন ইতিপূর্বেই মধ্যেপ্রাচ্যে আমেরিকার তোপের মূখে টিকতে পারেনি চায়না রাশিয়া, এখন কুকুরে লেজ ধরে শেষ চেষ্টা মাত্র!!


নিচের প্রশ্নগুলোর সমাধান দিবেন প্লিজ? 


বিঃ দ্রঃ চায়নার উইঘুর মুসলিম গনহত্যা এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন কিংবা বর্তমান রাশিয়ার ইউরোপ এশিয়া জুড়ে মুসলিমদের উপর চালানো গনহত্যা কি এখন হালাল হয়ে যাবে, যেহেতু শিয়া ইরান তাদের কোলে এসেছে এর বিনিময়ে? নাকি শুধু আরবরাই আমেরিকার সিকিউরিটি গ্রহন করার কারনেই ইসরায়েল আমেরিকার দালাল হবে? অতীত আমেরিকার মিত্র হিসেবে এবং বর্তমানা রাশা চায়নার মিত্র হিসেবে ইরান কে কি বলা যাবে, তার মাসালা জানা জরুরী! শিয়া মোল্লারা যদি আমাকে একটু জানাতেন! সেই সাথে রাশা চায়না কোথায় কোথায় শিয়া ইসলাম কায়েম করেছে সেটা জানাও জরুরী! নাকি শুধু আমেরিকা ইসরায়েল ই কাফের বুঝতেছিনা!!!




এখন প্রশ্ন হলো ইরান ইসরায়েল ১ম রাউন্ডের যুদ্ধ কেন ব্যার্থ হলো? ডোনাল্ড ট্রাম্পের আসল উদ্দ্যেশ্য কি?


দেখুন বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অনান্যেদের মত নিম্ম পর্যায়ের ভন্ড নয়! সে অরজিনালি খ্রিস্টান এবং মার্কিন পন্থী একজন প্রেসিডেন্ট। অতীতের সকল প্রেসিডেন্ট ই সরাসরি ইসরায়েল এর পাপেট ছিলো, মার্কিন স্বার্থবিরোধী ছিলো।


একজন মার্কিনপন্থী প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প খুব ভালোভাবেই বুঝতে পেরেছিলেন যে ইরান রাশিয়া চায়নার গুটিতে পরিণত হয়েছে এবং একই সাথে মধ্যেপ্রাচ্যের নিরাপত্তা আরব এবং আমেরিকান অর্থনীতির জন্য হুমকি হয়ে দাড়িয়েছে।  ডোনাল্ড ট্রাম্প সিদ্ধান্ত নিতে এক মূহুর্ত দেরি করেন নি! প্রথমেই আরবদের থেকে বিপুল বিনোয়োগ বাগিয়ে নিয়েছেন, তারপর খেলা শুরু করেছেন,...........................ইরানি শিয়া শু*কর সিরিয়ার কসাই কুদস বিগ্রেডের কমান্ডার সন্ত্রাসী কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার মধ্যে দিয়ে শুরু করেছিলেন এবং একে শিয়া শু*করের পাল খমিনী সহ সবগুলোকে জাহান্নামের টিকিট ধরিয়ে দেয়ার একমাত্র গৌরব তিনিই অর্জন করেছিলেন।


কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই যুদ্ধের উদ্দ্যেশ্য ছিলো দুটি! এক ইরান কে ধ্বংসের মাধ্যেমে মধ্যেপ্রাচ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ২য় ত ইসরায়েল এবং নেতানিয়াহুর কোমড় ভেঙে দেয়ার মধ্যে দিয়ে মার্কিন সম্রাজ্যের হুমকি দূর করা! ট্রাম্প ধারনা করেছিলেন ইরানে আক্রমন করলে ইরান পাল্টা আক্রমন করে ইসরায়েল কে পঙ্গু করে দিবে! ট্রাম্প ও ইরান কে মিশিয়ে দিবে! এক ডিলে দুই পাখি শেষ!!!


কিন্তু বিপত্তি বাধলো অন্য যায়গায়, ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই পরিকল্পনা যেকোন ভাবে নেতানিয়াহু বুঝে যায়, নেতানিয়াহু ডোনাল্ড ট্রাম্প কে ব্লাকমেইল করে বসে এবং যুদ্ধের ময়দান সরে যায় সাথে ইরান কে গোপনে ম্যানেজ করে ফেলে এবং ইসরায়েল ইরান কে নিয়ে নতুন ছক আকে!! তারা একমত হয় মধ্যেপ্রাচ্যে আমেরিকা থাকলে ইরান ইজ্রায়েল কেউ ই সুবিধা করতে পারবে না! যেহেতু আরবরা একই সাথে ইরান এবং ইসরায়েলের শত্রু তাই আরবদের ধ্বংস করা এবং আমেরিকা কে বিতাড়িত করার নতুন প্রজেক্ট ওপেন করে ইরান ইসরায়েল!


ফলাফল ইরান তার কামানের মুখ ঘুরিয়ে ফেলে ইরান! ইজরায়েলে কোন রকম আক্রমন করা বন্ধ করে দেয়। আক্রোমন শুরু হয় আরব ভূখন্ডে তাদের সম্পদে এবং মার্কিন ঘাটিতে! অথচ এ যুদ্ধ ইরানের সাথে আরবদের ছিলো না, তারা ইসরায়েল এর যুদ্ধ টেনে আনলো আরবে!


কিন্তু নাছোর বান্দা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এত সহজে ছেড়ে দেবার পাত্র নয়, শুরু হয় ইরান কে কার্পেট বোম্বিং করে মিশিয়ে দেয়ার নতুন পরিকল্পনা! কিন্তু বাধা হয়ে দাড়ালো লেজ কাটা শেয়াল তুর্কি, শিয়া প্রভাবে পথভ্রষ্ট পাকিস্তান, মাথা মোটা পাপিষ্ঠ আরব শাসক নিজেরাই, বিশেষ করে সৌদি আরব নিজেই! কারন আরবরা তাদের যুদ্ধের গৌরব হারিয়ে অতিরিক্ত বিলাসী জীবন মদ জুয়া নারীতে বিভোর হয়ে গেছে! ফলে শিয়া শু*কর ইরানে তাকিয়া প্রাতারনা আর হুক্কাহুয়ায় ভয় পেয়ে ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্প কে ত কোন সহযোগিতা করে ই নি, উল্টো বাধা সৃষ্টি করেছে!!


ফলাফল ট্রাম্প সাময়িক এক্সিট নিলেন, ইতিমধ্যেই ইরান কে যথেষ্ঠ সুটিয়ে লাল করে দিলেন! এবা তিনি পরিকিল্পনা নিলেন! যে আরবের নিরাপত্তার জন্য তিনি যুদ্ধে নামলেন সেই আরবরাই যেহেতু বাধা দিচ্ছেন! তাহলে কিছুদিনের জন্য আবদের ইরানের মূখে ছেড়ে দেয়া যাক!!!!


ভেবে দেখেছেন, যে হরমুজ নিয়ে ইরানের এত লাফাঙ্গা সেখানেই ইরান কে তরমুজ বানিয়ে প্যাকেট করে দিয়েছেন! সবার তেল রপ্তানি হচ্ছে আর ইরানের তেল তার পেছনে গুজে দেয়া হচ্ছে!! ইরান ইতিমধ্যেই দেউলিয়া হয়ে গেছে! লাইফ সাপোর্টে বাচিয়ে রেখেছে টার্কি ও পাকিস্থানী ছুপা শিয়ারা! পাকিস্তানের ৩৫% + প্রশাসন কিন্তু শিয়া! তুর্কীবাজগুলাও বেশীরভাগ ছুপা শিয়া গে!


যাইহোক বুদ্ধিমান ট্রাম্প আপাতত মজা নিচ্ছেন! ইরান কর্তৃক আরবরা অপমানিত হচ্ছে………………আসছে সামনের পরিকল্পনা! তা পরে বলি!!


তাহলে সৌদি ইয়েমেন ভয়ংকর যুদ্ধ কেন?


আপনারা ইতিমধ্যেই জেনেছেন, ইরান তার নতুন পলিসি ওপেন করেছে। এখন থেকে কেউ তাকে আক্রমন না করলেও ইরান আগাম হামলা করবে এবং ইতিমধ্যেই কাতার আরব অমিরাতে উস্কানিমূলক হামলা করেছেও। এখন বিষয় হচ্ছে ইরান ত আরব বিশ্ব মুসলিম জাহান কে শত্রু মনে করে। কিন্তু সে যদি সরাসরি সৌদি আরবে আক্রমন করে বসে তাহলে যে, এতদিন ফিলিস্তিন করে করে মিথ্যা তাকিয়া প্রতারনার আশ্রয় নিয়ে যে ইমেজ তৈরী করেছে তা ত মূহুর্তেই ধ্বংস হয়ে যাবে! ইরান ইমেজ সংকটে পড়েছে! আবার আরবের অনান্যা মিলিশিয়াগুলোকে ট্রাম্প পুক্কি মেরে জাহান্নামের টিকেট ধরিয়ে দিয়েছে! সিরিয়ায় শিয়া শু*কর আসাদ পালিয়ে যাওয়া পরেই, সেখানেও মিলিশিয়াদের খেয়ে দিসে আহমেদ আল শারা! 


এখন ইরান লাস্ট কার্ড হিসেবে তাদের শেষ মিলিশিয়া বাহিনী হুথিদের ব্যবহার করছে। একদিক দিয়ে ইরান সরাসরি নিজে আক্রমন না করে হুথিদের সৌদি আরবের বিরুদ্ধে লাগিয়ে দিয়ে নিজের ইমেজ ধরে রাখার অপচেষ্টা করে যাচ্ছে! অপরদিকে ইরান নিজেই সরাসরি অনান্য আরব রাষ্ট্রগুলোকে আক্রমন করছে। তাদের নেক্সট টার্গেট হলো সৌদি আরবের ভূখন্ড এবং মক্কা মদিনা দখল করা। এটিই তাদের মূল লক্ষ্য!!! 


ইয়েমেনের সানা বন্দরে সৌদি কেন হামলা করলো?


ইয়েমেনের সানা বন্দরে সৌদি আরবের বিমান হামলার কারন সূর্যের আলোর ন্যায় স্পষ্ট! দীর্ঘ বহু বছর ধরেই ইরানি মিলিশিয়া বাহিনী হুথির সাথে ইয়েমেনের জনগনের নির্বাচিত সরকারি বাহিনীর সাথে যুদ্ধ চলে আসছিলো। হুথিরা তার নিজ দেশের জনগনের ভোটে নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধেই বিদ্রোহ করে যুদ্ধ করে আসছিলো এবং নিজ দেশের সুন্নি মুসলমানদের উপর গনহত্যা ও অবরোধ তারাই করে আসছে। এ মতো অবস্থায় ইয়েমেন সরকার তার জনগনের নিরাপত্তার জন্যা সৌদি আরবের কাছে সাহায্য চাইলে, সৌদি আরব এখানে শুধু ইয়েমেন সরকারকে ই অর্থ অস্র দিয়ে যাবতীয় সহযোগীতা করে আসছিলো। ফলাফল হুথিরা আরও সহজভাবে সৌদি আরব কে টার্গেট করতে পারলো! এটি ধারাবাহিক ভাবে চললেও একটা পর্যায়ে সৌদি আরব হুতিদের সাথে যুদ্ধবিরতি করে নেয়।


কিন্তু সর্বশেষ শিয়া শুকর খামেনি শেষকৃত্য অনুষ্ঠান থেকে হুথিদের সাথে ইরানের আইআরজিসি ও বিপ্লবী গার্ডের উচ্চ পর্যায়ের একটি দল ইয়েমেনে উদ্দ্যেশ্যে রওয়ানা হয়। যেহেতু ইতিমধ্যেই হরমুজ অবরোধ করে রেখেছে ইরান, কিন্তু বাব আল মানদেব দিয়ে তেল রপ্তানি চলছে। এটিকেও বন্ধ করে দেয়া এবং সৌদি আরবে মারাত্বক পর্যায়ের আক্রমন করার পরিকল্পনা নিয়েই, ইরান তাদের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল ইয়েমেনে নিযুক্ত করে! সৌদি আরব তার গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই ষড়যন্ত্রের কথা জানতে পেরে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়! তারা সানা এয়ারপোর্টে সতর্কতা মূলক হামলা করে যেন ইরান থেকে আসা শিয়া সন্ত্রাসীরা ইরানেই ফিরে যায়! সৌদি আরব এখানেই সবচেয়ে বড় ভুলটি করে বসে! সৌদি আরবের কাছে নিশ্চিত তথ্যা থাকা সত্বেও তারা সরাসরি সন্ত্রাসীদের বিমানে হামলা না করে, সানা এয়ারপোর্টে সতর্কতা মূলক হামলা করে! 


সৌদি আরব যথাসময়ে উপযুক্ত ব্যাবস্থা নিতে পারলে আজকের এই পরিনতির মূখে তাকে পরতে হতো না!! 


তারপরের ঘটনা সবার সামনে! হুথিরা ইতিপূর্বেই আমেরিকা ইসরায়েলের সাথে গোপন চুক্তি করেছে। তারা সৌদি আরব ছাড়া আর কারো বিরুদ্ধে আক্রমন করবে না! 


সর্বশেষ সৌদি আরবের রিয়াদে হাজীদের কে টার্গেট করে মাজুসি শিয়া হুথিরা হামলা করেছে, যেখানে বাংলাদেশী, ফিলিস্তিনি সহ অসংখ্য হাজীগন কাফেরদের হামলায় শহীদ হয়েছেন………যুদ্ধ এখন চলছে দূর্বার গতিতে!! এই হচ্ছে সর্বশেষ সৌদি ইয়ামেন যুদ্ধের বাস্তবতা!!!


এ পর্যায়ে আপনাদের কাছে প্রশ্ন রেখে যাচ্ছি!


ইসরায়েল কে সবার আগে স্বীকৃতি দেয়া কথিত মুসলিম রাষ্ট্র কে?


উত্তরঃ ইরান!


আরব ইসরায়েল যুদ্ধে ইরানের পক্ষে এবং আরবের বিপক্ষে ছিলো কে?


উত্তরঃ ইরান!


আবরদের অবরোধের মুখে ইসরায়েলে তেল দিয়েছিলো কে?


উত্তরঃ ইরান!


ইসরায়েল আমেরিকার মিত্র হয়ে নিকট অতীতে মধ্যেপ্রাচ্যে গনহত্যা চালিয়েছে কে?


উত্তরঃ ইরান!


সর্বশেষ সিরিয়ায় ১০ লক্ষ মুসলমান হত্যা করেছে কে?


উত্তরঃ ইরান, রাশিয়া ও আসাদ যৌথভাবে!


বর্তমানে এবং ইতিপূর্বে মক্কা মদিনা এবং হাজীদের টার্গেট করে হামলা এবং কাবা চত্বরে গনহত্যা চালিয়েছিলো কে?


উত্তরঃ ইরানি শিয়া মাজুসিরা!


উইঘুর মুসলিম গনহত্যাকারী চায়না এবং ইউরোপ এশিয়া জুড়ে মুসলিম গনহত্যাকারী সোভিয়েত রাশিয়ার পাপেট কে?


উত্তরঃ ইরান!


বাঙ্গু ছুপা শিয়াদের কাছে প্রিয় রাষ্ট্র কে ?


উত্তরঃ ইরান! 


লেখকঃ মাহমুদুল হাসান।

বিঃ দ্রঃ আমার লেখা কোন আর্টিকেল ই কপি পেস্ট ইডিট করে প্রকাশের অনুমতি নেই। শুধুমাত্র শেয়ার করুন।

No Comment
Add Comment
comment url